শিরোনাম :
কচুয়ায় চেতনা যুব নারী সংস্থার উদ্যোগে এতিম ও গরীব শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে বাধা সৃষ্টিকারী পাকিস্তানী প্রেতাত্তাদের স্বপ্ন পুরন হয়নি হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসী হামলায় দুই যুবক গুরুতর আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্বাস আলী খান স্মরণে নাইট ক্রিকেট টূর্নামেন্ট উদ্বোধন অনেকটা অর্থাভাবে চসিক; প্রকল্প গ্রহণেও নেই আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর “উপহার ঘর” চাচ্ছে গুরুদাসপুরের বঞ্চিত হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্যরা কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদকের সুস্থ্যতায় দোয়া কামনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্বাস আলী খান স্মরণে নাইট ক্রিকেট টূর্নামেন্ট উদ্বোধন ব্যারিষ্টার মওদুদ আর নেই সিরাজদিখানে অবৈধ ভাবে খাল ভরাট, প্রশাসনের বাঁধায় বন্ধ

মশায় অতিষ্ঠ জনজীবন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১
  • ৮০ বার পঠিত

কেএম.জুবায়ের হোসেন জাহিদ. মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

শীতের রেশ কাটতে না কাটতেই মশার আক্রমণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। এ যেন মশার রাজত্ব চলছে পুরো শহর জুড়েই। বলছিলাম মাদারীপুর শহরের কথা। বিশেষ করে মাদারীপুর পৌর এলাকায় জলাশয় ও নর্দমার আশপাশ দিয়ে চলাচলই এখন যেন দুস্কর হয়ে পড়ছে। দেখে মনে হয় মানুষ যেন মশার রাজ্যে বসবাস করছে। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর মশার উপদ্রব বেশি। ঘরে-বাইরে, বাসা কিংবা অফিস সব জায়গায়ই মশা। মশা বাড়ার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে এডিস মশার আতংক দেখা গেছে।
এদিকে করোনা ভাইরাস ও মশার আক্রমণে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে শহরবাসী। তবে এ সমস্যা নিধনে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি পৌর কর্তৃপক্ষকে।
শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখা যায়, নর্দমা ও খোলা ড্রেনগুলোতে উড়ছে মশার ঝাঁক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলোতে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখায় সেখান থেকেও বংশ বিস্তার করছে মশারা।
মাদারীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র শকুনি লেকের পাড়ে ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছিলাম শকুনি লেকে। কিন্তু মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে এখন বাসায় চলে যাচ্ছি। মশার কামড়ে বাচ্চাদের নিয়ে এখানে আর বসা যাচ্ছে না।
পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পিয়াস একটু ঠাট্টা করেই বলেন, মশাই এখন এই শহরের মালিক আর আমরা ভারাটিয়া। ঘরের ভিতরে, বাড়ির আঙ্গিণায়, অলিগলি কোথায় নেই মশা ? এ নিয়েই তার দূর্ভাবনা।
পৌর এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর মশা নিধনে দৃশ্যমান তেমন কোন উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে মাঝে মধ্যে দু একবার রাস্তার দুপাশে মশা মারার ওষুধ স্প্রে করলেও তা তেমন কোন কাজে আসছে না।
পৌর এলাকার বাসিন্দা শাহানাজ পারভীন বলেন, মশার কারণে বাচ্চারা সন্ধ্যার পরে পড়তে বসতে পারছে না। দরজা-জানালা খুললেই মশারা ভিতরে ঠুকে পড়ে। ঘর ভাড়া আমি দিলেও আমার বাসায় পরিবার নিয়ে থাকে মশারা।
পৌর এলাকার বসবাস করা সোহান জানান, প্রতিটি বাসা-বাড়িতে সন্ধ্যা নামতে না নামতেই আক্রমণ শুরু করে মশারা। কিন্তু মশা নিধণে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না মেয়র।
এ বিষয়ে তানমিরা জেবু বলেন, মশার আক্রমণ থেকে বাঁচতে দিনের বেলাও মশারী টানিয়ে বাচ্চাদের ঘুম পাড়াতে হচ্ছে। কয়েল ধরিয়ে ও কোন কাজ হচ্ছে না। মশারী টানাতে হচ্ছে।
পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ মিয়া বলেন, দিনেও মশা রাতে ও মশা। কোথায় নেই মশা? একদিকে ডেঙ্গুর ভয় অন্যদিকে করোনা। তিনি দ্রুত পৌর মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অপরদিকে পৌরসভার পুরানবাজার, বিসিক, কুলপুদ্দি, চৌরাস্তা, চরমুগরিয়া, সুমন হোটেল, কলেজ রোড, শকুনি এলাকার বাসিন্দারাও মশার উপদ্রবে থাকার কথা জানান।

এ বিষয়ে মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Developed by banglawebs